স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪ নং শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের বিমলের গাঁও মহামায়া বাজারের পূর্ব মাথায় পূর্বের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য কবির হোসেন রনি বৈদ্যগংদের বিরুদ্ধে মার ধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে আহত রাজু মোল্লা বাদী হয়ে ইউপি সদস্য কবির হোসেন রনি বৈদ্য সহ ৬ জনকে বিবাদী করে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদীরা হলেন, কবির হোসেন রনি বৈদ্য (৪৮), পিতা- মৃত শহিদ বৈদ্য, আব্দুল জসিম বৈদ্য (৩৬), পিতা- আমান উল্লাহ বৈদ্য, আরিফ বৈদ্য (৩৪), পিতা-অজ্ঞাত, নাজির (৩৩), পিতা-অজ্ঞাত, মোবারক বৈদ্য (৪০), পিতা- হান্নান বেপারী, নজু (৩৪), পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং-বিমলের গাঁও, ওয়ার্ড নং-০৯, ০৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন, থানা ও জেলা- চাঁদপুর।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত মঙ্গলবার ০৯ মে ২০২৩ইং তারিখে তুচ্ছ ঘটনা নিয়া কবির হোসেন রনি বৈদ্যগংরা সায়েম বেপারী (১৮), পিতা- মোস্তফা, সাং- করবন্ধ, থানা- মতলব দক্ষিণ, জেলা- চাঁদপুরকে মারধর করিয়া জখম করে। সায়েম বেপারী বিষয়টি রাজু মোল্লাকে জানায়। রাজু মোল্লা শুক্রবার ১২ মে ২০১৩ খ্রিঃ সকাল ১১.০০ টায় নাজিম ইসলাম (১৮) ও সায়েম বেপারীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কবির হোসেন রনি বৈদ্যগংদের কাছে সায়েম বেপারীকে মারধর করার বিষয়টি জিজ্ঞাবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে কাঠের রুয়া ও লাঠিসোঠা দিয়া এলোপাথাড়ী পিটাইয়া রাজু মোল্লাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা থেতলানো জখম করে। এ সময় রাজু মোল্লার মুঠু ফোন ‘আইফোন-১৩ প্রো ম্যাক্স’ (মুল্য ১,৪৫,০০০/- টাকা) এবং প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ১৪,৫০০/- টাকা নিয়ে যায়। পরে তাদের শোর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে কবির হোসেন রনি বৈদ্যগংদের হাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল (চাঁদপুর সদর) নিয়ে ভর্তি করায়।
এছাড়াও অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, উক্ত বিষয়ে কোন প্রকার আইনের আশ্রয় নিলে ইউপি সদস্য কবির হোসেন রনি বৈদ্যগংরা রাজু মোল্লাদের প্রাণে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তা হিনতায় ভোগছে বলে জানান এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানায়।




