27.6 C
Bangladesh
রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫ আহমাদিয়া মাদ্রাসায়#শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য#হাইমচরে জিপিএ-৫ পেলেন ৩ শিক্ষার্থী, পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ#হাজীগঞ্জে এইচএসসি ভোকেশনালে পাসের হার ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন#কচুয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া মাইসার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা#জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক#বাবুরহাট দক্ষিণ দাসদীতে রাস্তা বন্ধ, ভোগান্তিতে অর্ধশতাধিক পরিবার#ভারত থেকে আনা চালে আফলাটক্সিন শনাক্ত, ৯ হাজার ৫০০ টন বিতরণ স্থগিত#এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ#এক-দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ

আমনের জমিতে আগাছা দমনে ব্যস্ত মতলব উত্তরের কৃষক

অনলাইন ডেস্ক: সকাল হতে না হতেই হাতে দাওলি, নিড়ানি ও সকালের নাশতা নিয়ে ধানের জমিতে ছুটছেন মতলব উত্তর উপজেলার কৃষক-কিষাণীরা। ভালো ফলনের আশায় আমন ধানের জমিতে আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে এখন চোখে পড়ছে কৃষকদের এমন কর্মব্যস্ততা।

দুর্গাপুর, ষাটনল, এখলাছপুর, কলাকান্দা, সুলতানাবাদ, ইসলামাবাদ, ফরাজিকান্দি ও ছেংগারচর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের নিড়ানি দিয়ে আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ ও ধানগাছের পরিচর্যা করতে দেখা গেছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাঠে থেকে এসব কাজ করছেন তারা।

আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলায় ৯ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রার সমপরিমাণ জমিতেই আমন আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ৩ মেট্রিক টন ফলন ধরে সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ২১০ মেট্রিক টন।

গত বছর উপজেলায় আউশ আবাদ হয়েছিল ১ হাজার ৫৭০ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর তা বেড়ে ২ হাজার ৭০০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ৩ মেট্রিক টন ফলন ধরে আউশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েকদিনের বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়ায় জমিতে আগাছা দ্রুত বেড়েছে। ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তাই বাড়তি সময় ও শ্রম দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতে হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য, সময়মতো আগাছা পরিষ্কার না করলে তা ধানগাছের সঙ্গে পানি, সার ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে। এতে ধানগাছ দুর্বল হয়ে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মধ্য কালীপুর গ্রামের কৃষক সোবহান বেপারী বলেন, আমন ধানের পরিচর্যায় আগাছা পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ। বৃষ্টির পর জমিতে আগাছা দ্রুত বাড়ে, তাই ভালো ফলনের আশায় বাড়তি শ্রম দিয়ে জমি পরিষ্কার রাখতে হচ্ছে।

ছেংগারচর পৌরসভার দেওয়ানজীকান্দি গ্রামের কৃষক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমন মৌসুমে কয়েক দফায় আগাছা পরিষ্কার করতে হয়। জমির অবস্থা অনুযায়ী সার প্রয়োগ ও অন্যান্য পরিচর্যাও করতে হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর ও বাগানবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠেও কৃষকদের নিড়ানি দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সার প্রয়োগ ও সেচের ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে। গালিমখা গ্রামের কৃষক মো. মুরাদুজ্জামান বলেন, আমন ধানের জমির পরিচর্যা নিয়ে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচ বাড়ছে বলেও জানান তিনি।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, চলতি মৌসুমে ৯ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। কৃষকরা আগাছা দমন, সার প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করছেন। বৃষ্টির কারণে আগাছা দ্রুত বেড়ে যায়, তাই সময়মতো তা পরিষ্কার করা জরুরি। রোগবালাই ও পোকামাকড় নিয়েও কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ