স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে স্থানীয় আ’লীগের দু’গ্রুপের গোলাগুলিতে ১ জন নিহত ও কমপক্ষে ৭জন আহত হয়েছেন।
নিহত হয়েছেন মোবারক হোসেন বাবু (৫০) এবং গুরুতর আহত হয়েছে- তার ছেলে ইমরান বেপারী (১৮) ও একই গ্রামের জহির কবিরাজ (৩৫)। তাদের উভয়কে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। আহত বাকী ৫জনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
শনিবার বিকাল ৩ টায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের দু’গ্রুপের মাঝে দ্বন্দ দেখা দিলে গোলাগুলি হয় বলে জানা যায়। ঘটনায় ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়। এদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোবারক হোসেন বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত ইমরান বেপারী ও জহির কবিরাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত মোবারক হোসেন বাবু বাহাদুরপুর গ্রামের আবুল বেপারীর ছেলে। আহত ইমরান তার ছেলে এবং জহির কবিরাজ একই গ্রামের মনু কবিরাজের ছেলে। এছাড়া অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ সিগমা রশিদ জানান, গুরুতর আহত মোবারক হোসেনকে একেবারে শেষ পর্যায়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করার সাথে সাথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বাকী আহত দু’জনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল বাহাদুরপুর আমার এলাকা থেকে ১০ কিলোমিটোর দূরে এবং মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে। ওখানে স্থানীয় ওয়ার্ড আ’লীগের রাজ্জাক প্রধান ও কালু বেপারীর মধ্যে আভ্যন্তরীন সমস্যা ছিল। আমাকে ফাঁসানোর জন্যই মায়া চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে এঘটনা ঘটিয়েছে।
নিহত মোবারক হোসেন বাবুকে হাসপাতালে দেখতে যান আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারী কাজী মিজান গ্রুপ আওয়ামী লীগের কেউ না। তারা রাজাকার পরিবারের। এই ঘটানার সুষ্ঠু বিচার করা হবে।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সুদীপ্ত রায় বলেন, ঘটনাস্থলে মাত্র এসেছি। ঘটনার সত্যতা তিনি নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। পরে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে। এঘটনায় মুসা নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।




