স্টাফ রিপোর্টারঃ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের সকল শহিদের স্মরণে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে দোয়া, মিলাদ ও তবারক বিতরণের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।
গতকাল ১৫ আগস্ট, মঙ্গলবার সকালে মহামায়া মধ্য বাজার মন্দিরের পূর্ব পাশে এ জাতীয় শোক দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হওয়া উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। তবারক বিতরণের পূর্বক্ষনে প্রধান অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল হাজীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটোয়ারী, সাবেক ছাত্রনেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য শরীফ হোসেন পাটোয়ারী, জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান সবুজ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হান্নান খান মিলন,সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামছুজ্জামান পাটোয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজা বেগম, ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন বেপারী, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বেপারী প্রমুখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহফুজ খন্দকার, রব মাস্টার, মাসুদ পাটওয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান হাওলাদার সাজু, আবু নোমান পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হানিফ মিজি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিজান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সফিক ক্বারী,শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম হাওলাদার, জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মিজান মিলিটারী, প্রচার সম্পাদক মনির চৌধুরী, সদস্য সফিক মিজি, ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাশার রনি, হাবিবুর রহমান হাজি, আরিফুর রহমান তুষার সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ।
শোক দিবস অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘১৯৭৫ সালের এই দিনে আমরা আমাদের জাতির পিতাকে হারিয়েছি। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তর করতে চেয়েছিলেন। এর আগেই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে তাঁকে শাহাদাৎ বরণ করতে হয়।’ বঙ্গবন্ধুর কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তারা বলেন, ‘তিনি অত্যান্ত সৎ, উদার, দেশপ্রেমিক, সাহসী ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সাধারণ মানুষের ভাগ্যন্নয়নের সংগ্রামে তিনি মৃত্যু, জেল, জুলুমকে কখনও ভয় পাননি। মানুষের মুখ দেখেই তার দুঃখ দুর্দশা বুঝে যেতেন তিনি। মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন।
’বক্তারা আরও বলেন, ‘এবার ১৫ আগস্ট আমাদের মাঝে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসেছে। আমাদের প্রত্যয় হোক-১৫ই আগস্ট কে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।




