মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধি : সারাদিন কায়িক পরিশ্রম শেষে এখন আর ফুটপাত বা অন্যের ঘরে ফিরতে হবে না। ভূমিহীন ও গৃহহীন হতদরিদ্র মনির হোসেন প্রধান এখন প্রতিদিন ফিরতে পারবেন নিজ ঘরে। শুধু ঘরই নয়, থাকছে নিজ নামে দুই শতক জমি, স্বাস্থ্যসম্মত বসত ঘর, সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর বসবাসের নিরাপদ সুবিধা।
ভুমি ও গৃহহীন মনির বলেন,আমার কিছুই ছিলো না। এখন আমার সবই হয়েছে। তিনি এলাকাবাসী ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব রিপন সরকারের দেওয়া নগদ অর্থে নির্মিত ঘর পেয়ে আল্লাহর নিকট শোকরিয়া আদায় করেছেন। তিনি আরোও বলেন, এখন থেকে আমি এবং আমার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানসহ একত্রে এ ঘরে বসবাস করিব। এটাই আমার পরম আনন্দ।
সরেজমিন জানা যায়,চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌর সভার ৯নং ওয়ার্ড সারপাড় গ্রামের ছাদেক প্রধানিয়ার ছেলে মোহাম্মদ মনির হোসেন (৩৬) একজন হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ। মনির হোসেন ২জন কন্যা সন্তানের জনক। জীবন জীবিকার তাগিদে দুবেলা রুটি রোজগারই তার একমাত্র অবলম্বন। টানাপোড়ন সংসার খাদ্যের চাহিদা মেটাতে অরোহ হিমশিম খেতে হয়েছে তাকে। তিনি গৃহহীন ও ভুমিহীন এবং হতদরিদ্র মানুষ হওয়ায় পাড়ার সমাজসেবক ব্যাক্তিদের সার্বিক সহায়তায় এক খন্ড জমির মালিক হয়েছেন। পরে দানের টাকায় তিনি একটি টিনের ঘর তৈয়ার করেন ঐ জায়গায়।
একই গ্রামের জিয়াউর রহমান বলেন,মনির হোসেন একজন ভূমি ও গৃহহীন ব্যাক্তি। তার ২জন কন্যা সন্তান রয়েছে। বিশিষ্ট সমাজ সেবক রিপন সরকার নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করার কারণে ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি টিন সেড ঘর নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে।
সমাজ সেবক জিল্লু প্রধান বলেন,দানবীর রিপন সরকারের নগদ টাকায় অসহায় মনির হোসেনের একটি নতুন কাঠের টিন সেড ঘর তৈয়ার হওয়ায় আমরা গ্রাম বাসী রিপন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তিনি আমাদের এলাকায় অসহায় মানুষদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
নারায়নপুর বাজার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হুমায়ন প্রধান বলেন,হতদরিদ্র মনির হোসেন একজন গৃহহীন ও ভূমিহীন ব্যাক্তি ছিলো। এখন তার ঘর হয়েছে, ঘর নির্মাণ করতে জমিও হয়েছে। আমরা এলাকাবাসী রিপন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।




