বিশেষ প্রতিনিধি: চাঁদপুরে দীপু মনির মুক্তির দাবিতে ছাত্রলীগের উত্তাল মিছিল। ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা। ৩ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার(০১জুলাই)বিকেলে ধৃত তিন জনকে আদালতে হাজির করা হয়। তখন আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। গতকাল সোমবার গভীর রাতে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: বাহার মিয়ার নেতৃত্বে মডেল থানার একদল অফিসারসহ অভিযান চালিয়ে ৩জন ছাত্রলীগের নেতাকে আটক করতে সক্ষম হন। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠান বলে ওসি মো: বাহার মিয়া জানান।
চাঁদপুর কাঁপানো মিছিল। দীপু মনির মুক্তির দাবিতে নাটকীয় পরিস্থিতি!ভোর পাঁচটা শহরও নগরবাসী তখনো ঘুমে ঢেকে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে চাঁদপুরের চেয়ারম্যানঘাট, এলাকায় কানে এলো মিছিলের আওয়াজ, আর গলায় গলায় স্লোগান।
দীপু মনির মুক্তি চাই! জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চেয়ারম্যানঘাট, এলাকায় কানে ,ভেসে এলো মিছিলের আওয়াজ, আর গলায় গলায় স্লোগান।”দীপু মনির মুক্তি চাই!
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে, আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে একদল ছাত্রলীগ কর্মী হঠাৎ করেই রাস্তায় নেমে এল। প্রশাসনের জানাজানি ছিল না, অনুমতিও ছিল না তবুও শুরু হলো এক উত্তাল মিছিল।
শনিবার ভোরবেলা ঘটে এই ঘটনা, ঠিক তার পরদিন, রোববার আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির।
কিন্তু প্রশাসনের মনে ছিল শঙ্কা বলা হচ্ছিল, যদি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়় ?
তাহলে শহরের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে না তো ? এই দুশ্চিন্তায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে আদালতে আনা হলো না।
কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার তা হয়েই গেছে। মিছিলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আর পুলিশ শুরু করে শনাক্তের কাজ।
ভিডিও দেখে নাম ধরে ধরে চিহ্নিত করা হয় তিনজনকে। ইফাত হোসেন(১৯),পিতা মো: দেলোয়ার হোসেন, মাতা শিরিনা বেগম, আরিফুল আলম রিমন(১৯)পিতা মো: খাইরুল আলম,মাতা হাজেরা বেগম ও তাহসিন ইসলাম ভুঁইয়া ওরফে নীরব(২০) পিতা মৃত তাজুল ইসলাম,মাতা ফাতেমা আক্তার দীপা। তাঁদের দ্রুত আটক করে থানায় নিয়ে আসে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ।
এসআই কুদ্দুস নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।মোট ২৫ জন ছাত্রলীগ নেতার নাম উঠে আসে সেই এজাহারে।
মঙ্গলবার (০১ জুলাই)বিকেলে ধৃত তিনজনকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁরা জামিনের আবেদন করলেও, আদালত সে আবেদন নাখোশ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




