31.2 C
Bangladesh
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম

মৈশাদী ইউপি কার্যালয়ে বিবাদীকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের মামলার নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদী, ইউপি সদস্য ও পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

মামলার বিবাদী হাসান গাজী অভিযোগ করেছেন, ইউপি সদস্য মো. মানিক গাজী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আরও দুজন তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন রনি।

ইউপি সদস্য মানিক গাজীর দাবি, হাসান গাজী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও ধারণ করে পরিষদে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেন। তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।

জানা গেছে, ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৈশাদী গ্রামের মৃত ইউসুফ গাজীর পরিবারের সঙ্গে তাঁর ভাই আক্কাছ গাজীর পরিবারের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে মাসুদ গাজী গং ইউনিয়ন পরিষদে একটি মামলা করেন। মামলার নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত থাকা নিয়ে বিবাদী হাসান গাজীর সঙ্গে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মানিক গাজীর কথা হয়।

হাসান গাজীর ভাষ্য, তাঁর মা অসুস্থ থাকায় তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এ কারণে নির্ধারিত তারিখে মামলায় উপস্থিত থাকা তাঁর জন্য সমস্যার ছিল। পরে তিনি মাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসেন এবং সেখানে নিজের কার্যক্রম ভিডিও ধারণ করতে থাকেন।

একপর্যায়ে হাসান গাজী ও মানিক গাজীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছায় বলে অভিযোগ করেন হাসান গাজী। তাঁর দাবি, ইউপি সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আরও দুজন তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন রনি বলেন, তিনি কাউকে লাঞ্ছিত করেননি; তাঁর কক্ষের সামনে এ ধরনের পরিস্থিতি দেখে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন।

মানিক গাজীর দাবি, হাসান গাজী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও করে পরিষদে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছেন এবং তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছেন।

ঘটনার সময় হাসান গাজীর সঙ্গে জসিম মজুমদার ও মনির গাজী নামে আরও দুজন ছিলেন। তাঁরা নিজেদের প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করে গণমাধ্যমের কাছে বক্তব্য দিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্যও পরিষদে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন।

পরিষদের সিসিটিভি ক্যামেরা সচল ছিল কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সূত্র: দৈনিক আদি বাংলা

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ