31.2 C
Bangladesh
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম

গর্তে পানি-কাদা, ড্রেনের নোংরা পানি রাস্তায়

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর শহরের প্রসিদ্ধ বাবুরহাট মডেল টাউনের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লক্ষাধিক মানুষ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, জমে থাকা বর্ষার পানি ও ড্রেনের নোংরা পানি একাকার হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এতে সময় ও কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনেকে পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন।

বাবুরহাট থেকে চাঁদপুর জেলা সদর, সফরমালি, বেপারীকান্দি, দাসাদী, দশানী, দিঘীরপাড়, মতলব, মুন্সিরহাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলায় যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ এই সড়ক। প্রতিদিন রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, পিকআপ ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। ফলে সড়কটির বেহাল দশায় বিপুলসংখ্যক মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের কিছু অংশ ঢালু হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এর সঙ্গে ড্রেনের পানি এসে মিশে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। পানি ও কাদায় গর্তগুলো অনেক সময় দেখা যায় না। রাতের বেলায় আলো স্বল্পতার কারণে ঝুঁকি বাড়ে এবং গর্তে পড়ে রিকশা, সিএনজি ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

এর আগে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত কিছু অংশে পাথর, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে সংস্কারের চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়রা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের স্থায়ী সমাধানে পৌর প্রশাসনের উদ্যোগ প্রয়োজন।

চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও যুবদল সভাপতি মো. মোবারক পালোয়ান বলেন, বড় গর্ত এবং ড্রেনের পানি ও কাদা জমে থাকায় মানুষের চলাচলে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান, ব্যক্তিগত উদ্যোগে আগে রাস্তার কিছু অংশ সংস্কার করলেও বড় পরিসরে কাজ করা সম্ভব নয়। মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় আবারও কিছু অংশে কাজ করার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে পৌর প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে পৌরসভা অবগত। কাজের জন্য ইতোমধ্যে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বর্ষার কারণে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না; বর্ষা কমলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে। তাঁর আশা, আগামী দুই মাসের মধ্যে সড়কটিকে উন্নত সড়কে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় রিকশা ও সিএনজি চালকেরা জানান, দিনে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা গেলেও রাতে সড়কটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। গর্তে পানি জমে থাকায় তা দেখা যায় না এবং যাত্রীসহ যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী সংস্কার ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ