স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুরে কয়েকদিন যাবৎ ইলিশের আমদানী কিছুটা বাড়লেও আশানুরপ দাম না কমায়, হতাশ ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন অন্যান্য বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ মাছও ঘাটে আমদানি হচ্ছে না, এতে তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। গতকাল মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় জেলেদের জালে খুবকম ইলিশ ধরা পরলেও, সাগর অঞ্চল থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ মন ইলিশ আমদানী হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, ইলিশের আমদানি বাড়লেও দাম কমেনি। বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের আমদানি অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক কম, তাই দাম বেশী।
ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ইলিশের মৌসুম প্রায় শেষের দিকে। অন্যান্য বছর এসময় হাতিয়া, সন্দীপ, চর আলেকজান্ডার, পটুয়াখালী সহ উপকূলীয় অঞ্চল থেকে শিপিং বোর্ডে করে প্রচুর ইলিশ চাঁদপুর বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আসতো। গতবছর থেকে একেবারে কম আসছে। যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে তার দাম অনেক বেশি। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। আর একমাস পরেই মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু হবে। তখন মৎস্য অবতরন কেন্দ্রে বেচা বিক্রি বন্ধ থাকবে। এভাবে চলতে থাকলে এক পর্যায়ে আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
ক্রেতা কুদ্দুছ মুন্সী ও শাহজাহান সিদ্দিকী বলেন, ইলিশের আমদানি বাড়লেও দাম না কমায় হতাশার কথা জানান। ইলিশের মৌসুম হওয়ায় ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাছ কিনতে চাঁদপুর ঘাটে আসছে। তবে ইলিশের আমদানি বাড়লেও বাজারে মাছের দাম কমেনি। এছাড়া চাঁদপুরের বাজারে বিক্রেতারা ইলিশের দাম একটু বেশি হাঁকছেন।
বর্তমানে পাইকারি বাজারে ১কেজি থেকে ১২শ” গ্রামের ইলিশ ৩,০০০/ থেকে ৩,১০০/ টাকা, ১কেজি ওজনের ২,৬০০/ থেকে ২,৮০০/ টাকা , ৭শ” থেকে ৯শ” গ্রামের ইলিশ ২,৩০০/ থেকে ২,৫০০/ টাকা, ৫শ”/৭শ” গ্রামের ইলিশ ১,৮০০/ থেকে ২,২০০ টাকা, আর ৪টিতে এক হালি ৯০০/ থেকে ১,২০০/ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।




