31.2 C
Bangladesh
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#সাত মাসে সর্বোচ্চ মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে সরকার: মাহ্দী আমিন#আজ ফরিদগঞ্জে আসছেন বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব#আমনের জমিতে আগাছা দমনে ব্যস্ত মতলব উত্তরের কৃষক#মতলব উত্তরে দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ২#মাঠ ও উপকরণ সংকটে ওছমানিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ক্রীড়াচর্চা ব্যাহত#মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ#মতলব দক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার দাফন সম্পন্ন, এমপির শোক#শাহরাস্তিতে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা#মতলব উত্তরের ফতেহপুর পশ্চিমে নারী সমাবেশ#মতলব পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা কার্যক্রম শুরু

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক: ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।

প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে মোট ২২ দিন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ইলিশ পরিবহণ ও মজুদকরণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় এবং বিনিময়ও এ সময় নিষিদ্ধ থাকবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ বাস্তবায়ন এবং ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি।

প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হবে।

অবৈধভাবে ধরা ইলিশের বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত ও বাজারে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণেও কঠোর অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের পাশাপাশি প্রকৃত জেলেদের কাছে সরকারি প্রণোদনা পৌঁছানো নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ