27.2 C
Bangladesh
সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫ আহমাদিয়া মাদ্রাসায়#শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য#হাইমচরে জিপিএ-৫ পেলেন ৩ শিক্ষার্থী, পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ#হাজীগঞ্জে এইচএসসি ভোকেশনালে পাসের হার ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন#কচুয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া মাইসার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা#জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক#বাবুরহাট দক্ষিণ দাসদীতে রাস্তা বন্ধ, ভোগান্তিতে অর্ধশতাধিক পরিবার#ভারত থেকে আনা চালে আফলাটক্সিন শনাক্ত, ৯ হাজার ৫০০ টন বিতরণ স্থগিত#এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ#এক-দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ

পরকীয়া নয়, নেশার কারণে গৃহবধূকে মারধরে মৃত্যুর দাবি পরিবারের

অনলাইন ডেস্ক: কচুয়ায় স্বামীর মারধরের পর সালমা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মাহমুদুল হাসানকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনাটি পরকীয়ার কারণে নয়, বরং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের জেরেই সালমার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দেবীপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সালমা আক্তার একই উপজেলার কাদলা কারী সাহেবের বাড়ির মো. শাহ আলমের মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে উভয়ের পছন্দের ভিত্তিতে মাহমুদুল হাসান ও সালমা আক্তারের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সাইয়্যেদা নুর (৫) নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

নিহতের বোন ফারজানা আলমের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে মাহমুদুল হাসান সালমাকে মারধরসহ শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ফারজানা আলমের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাহমুদুল হাসান সালমাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুক্রবার তাকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে সালমার মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশ মাহমুদুল হাসানকে আটক করে এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার বিকেলে বাবার বাড়িতে শেষবারের মতো সালমাকে দেখতে স্বজন ও এলাকাবাসী জড়ো হন। পরে স্বজনদের কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে বাবার বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ফারজানা আলমের দাবি, সালমাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। নিহতের পরিবারের বক্তব্য, ঘটনাটিকে অন্য কোনো সম্পর্ক বা পরকীয়ার সঙ্গে যুক্ত না করে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করা উচিত। তাঁদের অভিযোগ, নেশাজনিত কারণে মাহমুদুল হাসান প্রায়ই সালমার সঙ্গে খারাপ আচরণ ও মারধর করতেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এমনকি ফাঁসির দাবিও করা হয়েছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ