31.2 C
Bangladesh
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#সাত মাসে সর্বোচ্চ মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে সরকার: মাহ্দী আমিন#আজ ফরিদগঞ্জে আসছেন বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব#আমনের জমিতে আগাছা দমনে ব্যস্ত মতলব উত্তরের কৃষক#মতলব উত্তরে দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ২#মাঠ ও উপকরণ সংকটে ওছমানিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ক্রীড়াচর্চা ব্যাহত#মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ#মতলব দক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার দাফন সম্পন্ন, এমপির শোক#শাহরাস্তিতে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা#মতলব উত্তরের ফতেহপুর পশ্চিমে নারী সমাবেশ#মতলব পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা কার্যক্রম শুরু

ছায়াশিকারি

অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীর স্রষ্টা এক চমকপ্রদ নাট্যরূপকার—তিনি মধু ও বিষ, মানুষ ও দানব—সবই সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষকে ভালো-মন্দ চিনে নিতে হয়; আর এই দুনিয়া তাদের জন্য এক পরীক্ষা, যেখানে পদে পদে পরীক্ষার পর আসে চূড়ান্ত পরীক্ষা।

বিশ্বাসের ভেতর সম্পর্ক যেমন গড়ে ওঠে, তেমনি সেখান থেকেই ভাঙনের আশঙ্কাও তৈরি হয়। বৃষ্টি পুরোনো টাইপরাইটার ঘরে নাহারের রহস্যময় একাকিত্বের কারণ বুঝতে পারে না। নাহার অনুপস্থিত থাকা অবস্থায় একদিন সে ঘরে ঢুকে দেখে, টাইপরাইটারটি নিজে থেকেই চলছে। কিবোর্ডে ভেসে ওঠে ‘নির্দেশ সফল’ বার্তা। পরে গোপন তাক খুলে সেখানে একটি তরঙ্গসংবেদী স্পাই-রেকর্ডার পাওয়া যায়।

ইমতিয়াজ একটি এনক্রিপ্টেড বার্তায় জানতে পারে, নাহার ‘চ্যানেল ১৭’-এর সঙ্গে যুক্ত এবং রাষ্ট্রীয় মেমোরি লিংক সক্রিয়। সভাঘরের ফুটেজে আবাল সিংকে বলতে দেখা যায়, নাহার সব জানে এবং তাকে খুঁজে বের করতে হবে। নাহারের হাতে থাকা একটি কাগজের বার্তা থেকেও বোঝা যায়, সে বিদ্রোহীদের তথ্য সংগ্রহ করে রাষ্ট্রীয় শাসকচক্রকে জানাচ্ছিল।

নাহারের অতীতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ছাপ ছিল। তার বাবা গোপন পাঠচক্র চালাতেন। এক রাতে রাষ্ট্রের বাহিনী ছদ্মবেশে সেখানে অভিযান চালায় এবং নাহারকে ‘ধ্বনি-সীমানা কলার’ পরিয়ে তার বাবাকে নিয়ে যায়। পরে আয়নাঘরের কাছে বাবার কঙ্কাল ও একটি নোট পেয়ে নাহার বুঝতে পারে, রাষ্ট্র তাকে ব্যবহার করছে।

রাষ্ট্র নাহারকে বিদ্রোহীদের মধ্যে ঢুকে তাদের পরিকল্পনা শনাক্ত করার প্রস্তাব দেয়। তিনি আংশিক তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট রাখলেও ইরফানকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ভুল সংকেত, খোলা তরঙ্গফলক ও টাইপরাইটারের বার্তায় তার দ্বৈত ভূমিকা প্রকাশ পায়। নাহার জানায়, সে চর ছিল, তবে চরিত্রহীন নয়; বিশ্বাস কেড়ে নেওয়ার কারণেই তার বিশ্বাস ভেঙেছিল।

এরপর শব্দ-পুলিশ নাহারকে গ্রেপ্তার করে আয়নাঘরের একটি কামরায় বন্দী করে। সেখানে কালো কাপড়ে ঢাকা আরাধের সঙ্গে তার দেখা হয়। আরাধ জানায়, নিয়ন্ত্রকগোষ্ঠী সব কথা শুনলেও হৃদয়ের কথোপকথন বুঝতে পারে না। সে নাহারকে অনুভূতির মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর পদ্ধতি শেখায়। বন্দিরা ধীরে ধীরে এই অদৃশ্য ভাষা আয়ত্ত করলে বিদ্রোহ শব্দের বদলে স্পন্দনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে ইরফান ও বৃষ্টি শব্দহীন সংকেত, রঙিন কাগজ, রেখা ও পুরোনো কবিতার মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখে। ইমতিয়াজ পুরোনো নথিতে তার দাদা আরাধের পরিচয় খুঁজে পায়। অনন্যা তার মায়ের ডায়েরিতে নাহারের নাম আবিষ্কার করে। নথি, কবিতা ও সংকেত বিশ্লেষণ করে তারা বুঝতে পারে, তারা নতুন এক বিপ্লবের উত্তরসূরি।

গোপন গ্যালারিতে তারা অদৃশ্য ভাষার একটি বার্তা পড়ে—শব্দ হারিয়ে গেলে হৃদয় ভাষা হয়ে উঠবে, আর কণ্ঠ রুদ্ধ হলে চোখ কবিতায় পরিণত হবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ