31.2 C
Bangladesh
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু#একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন#সাত মাসে সর্বোচ্চ মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে সরকার: মাহ্দী আমিন#আজ ফরিদগঞ্জে আসছেন বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব#আমনের জমিতে আগাছা দমনে ব্যস্ত মতলব উত্তরের কৃষক#মতলব উত্তরে দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ২#মাঠ ও উপকরণ সংকটে ওছমানিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ক্রীড়াচর্চা ব্যাহত#মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ#মতলব দক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার দাফন সম্পন্ন, এমপির শোক#শাহরাস্তিতে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা

ডিজিটাল পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্ক খোঁজা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক: অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে চরম ভারসাম্যহীন পৃথিবীতে প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়। ‘মানুষের জন্য সাক্ষরতা, এই গ্রহের জন্য সাক্ষরতা এবং সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—২০২৬ খ্রিস্টাব্দের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য। অন্তর্ভুক্তিকরণ, টেকসই ভবিষ্যৎ, মানুষের জীবনধারণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে আজ বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি মানুষের কাজ, চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বই, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা তথ্য খোঁজার মতো অনেক কাজেই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। ফলে বর্তমান সময়ে সাক্ষরতার সংজ্ঞা কী হবে এবং এ বিষয়ে কী ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা জরুরি হয়ে উঠেছে।

শুধু অক্ষর চেনা বা নিজের নাম লিখতে পারাকে সাক্ষরতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। শিক্ষার মান, ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় তথ্য বোঝা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের দক্ষতাও এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কোর নির্ধারিত সংজ্ঞায় নিজ ভাষায় সহজ বাক্য পড়া-লেখা ও দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশের কথা বলা হলেও প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বাস্তবতায় সেই সংজ্ঞা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে অদক্ষ একজন ব্যক্তি বাংলা পড়তে ও সাধারণ হিসাব করতে পারলেও বর্তমান যুগের সঙ্গে পুরোপুরি তাল মেলাতে পারেন না। বৈশ্বিক যোগাযোগের কারণে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে একটি আন্তর্জাতিক ভাষার সঙ্গেও পরিচিতি দরকার হচ্ছে। ফেসবুক, ইউটিউব ও মেসেঞ্জারের মতো প্ল্যাটফর্মে তথ্য আদান-প্রদানে এই বাস্তবতা স্পষ্ট।

সাক্ষরতার সঙ্গে সমতা, মানবিক অধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, বৈচিত্র্য ও সহনশীলতার বিষয়ও যুক্ত। অথচ বিশ্বে বিপুলসংখ্যক কিশোর, যুবা ও প্রাপ্তবয়স্ক মৌলিক সাক্ষরতা থেকে বঞ্চিত। বহু শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে বা শিক্ষা শেষ হওয়ার আগেই ঝরে পড়ে। এ অবস্থায় আনুষ্ঠানিক আলোচনা, সভা ও সেমিনারের পাশাপাশি বৈশ্বিক বৈষম্য, দারিদ্র্য, যুদ্ধ ও অধিকারহীনতার কারণ নিয়েও ভাবতে হবে।

সাক্ষরতা মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ, মনোভাব ও আচরণ অর্জনের ভিত্তি। এর লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাজ গঠন। তাই আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতার পাশাপাশি সততা, মমত্ববোধ ও মানবিকতাকেও সাক্ষরতার বিস্তৃত ধারণার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ব্যক্তির পর্যায় থেকে রাষ্ট্র ও বৈশ্বিক পর্যায়ে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ