অনলাইন ডেস্ক: সৌদি আরবে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার প্রবাসী মো. জসিম উদ্দিনকে হত্যার অভিযোগে তাঁর সহকর্মী সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সৌদি আরবে কর্মরত জসিমের এক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সৌদি পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি।
নিহত জসিম উদ্দিন মতলব উত্তর উপজেলার ঘাশিরচর গ্রামের আয়্যুব আলীর ছেলে। তিনি সৌদি আরবের আল কাসিম এলাকার আল গাম্মাসে একটি মাজরায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রায় চার লাখ টাকা পাঠানোর উদ্দেশ্যে এক সহকর্মীর সঙ্গে বের হওয়ার পর জসিম নিখোঁজ হন। পরে আল কাসিমের একটি মরুভূমি থেকে বালুচাপা অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, জসিমকে হত্যা করে মরদেহ বালুর নিচে চাপা দেওয়া হয়। তাঁর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে স্ত্রী ও স্বজনদের কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
জসিমের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। স্বজনেরা ঘটনার তদন্ত, অভিযুক্তদের শাস্তি এবং দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় মতলব উত্তর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
হত্যায় অভিযুক্ত সাব্বিরের বাড়ি মতলব দক্ষিণ উপজেলার চন্নি লক্ষ্মী গ্রামে। তিনি মৃত সিদ্দিকুর রহমান মাস্টারের ছেলে। ঘটনার পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবারের অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা জানানো হবে।




