26.4 C
Bangladesh
শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#চাঁদপুরে ৩ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ, দুই জেলের কারাদণ্ড#গুজব ও অপতথ্যের সবচেয়ে বড় শিকার প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব#গাজীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম কবিরাজের গণসংযোগ#শাহমাহমুদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে হৃদয় কাজী গ্রেপ্তার#ফরিদগঞ্জে মারধর, চুরির অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবক দলের চারজন নেতাকর্মী গ্রেফতার#ফরিদগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চার বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪০ লাখ টাকা#লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছির খানের সমাবেশ#শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু#কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ#ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু

ফরিদগঞ্জে দপ্তরী চাকরি ফেরানোর আশায় প্রধান শিক্ষককে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: চাকরি হারানোর পর স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়া ফরিদগঞ্জের সাবেক দপ্তরী কাম প্রহরী মো. সোহেল রানা চাকরি ফিরে পাওয়ার আশায় ঋণ করে দেড় লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, টাকা দেওয়ার পরও চাকরি ফেরেনি; বরং এখন তার ওপর ঋণের বোঝা চেপে বসেছে।

সোহেল রানা ফরিদগঞ্জ উপজেলার মিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তার অভিযোগ, চাকরিতে পুনর্বহালের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদ প্রথমে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। পরে দেড় লাখ টাকায় রাজি হলে ব্যাংক ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার করে তিনি ওই টাকা সংগ্রহ করেন। এরপর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে নগদ টাকা দেওয়ার দাবি করেন সোহেল।

সোহেলের ভাষ্য, ৫০০ টাকার নোটের একটি বান্ডেল ও ১ হাজার টাকার নোটের একটি বান্ডেলে মোট দেড় লাখ টাকা প্রধান শিক্ষকের হাতে তুলে দেন তিনি। তবে টাকা দেওয়ার পরও চাকরিতে পুনর্বহালের কোনো ব্যবস্থা হয়নি বলে অভিযোগ তার।

সোহেল জানান, ২০১৩ সাল থেকে তিনি মিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী হিসেবে কাজ করেন। ২০২৬ সালের ২৭ জুন চার পিস ইয়াবাসহ ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ১৪ দিন কারাগারে ছিলেন বলে জানান তিনি। পরে চাকরি হারিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েন।

চাকরি ফিরে পাওয়ার আশায় গত ২৩ আগস্ট প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার সময় শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ম্যানেজ করতে দুই লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়—এমন দাবি সোহেলের। পরে টাকার অঙ্ক কমিয়ে দেড় লাখ টাকা দিতে বলা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোহেল বলেন, চাকরি হারানোর পর ঋণ করে টাকা দিলেও কোনো ব্যবস্থা হয়নি। এখন চাকরি না থাকা এবং ঋণের বোঝা—দুই সংকটে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কষ্টে আছেন তিনি। এ ঘটনায় সঠিক বিচার চান বলে জানান সোহেল।

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, সোহেল তাকে কোনো টাকা দেননি এবং চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়ে তাদের মধ্যে এমন কোনো কথাও হয়নি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং সোহেল রানা তাকে এ-সম্পর্কিত কিছু জানাননি।

মৌখিক অভিযোগের পাশাপাশি গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সোহেল। অভিযোগে তিনি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা দাবি ও গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মধ্যে বিষয়টি এখন তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ