অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর হামানকর্দ্দি এলাকা থেকে তরুণ নেতা ইমরান খান ইমুর চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশে ইউনিয়নজুড়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মৈশাদী পরিষদ গেট, শাহাতলী বাজার, দক্ষিণ হামানকর্দ্দি, উত্তর হামানকর্দ্দিসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার চায়ের দোকান, হোটেল, সেলুন ও জনসমাগমস্থলে ইমরান খান ইমুর নাম নিয়ে আলোচনা করছেন স্থানীয়রা। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দলীয় ফরম উত্তোলন ও জমা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইমরান খান ইমু বর্তমানে মৈশাদী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। এর আগে তিনি সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মৈশাদী ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে ইমরান খান ইমু বলেন, দলের দুঃসময়ে তিনি রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে বিজয়ী করতে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছেন বলেও জানান তিনি। মৈশাদী ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করতে চান বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের দলীয় কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল তাকে মূল্যায়ন করবে বলে তিনি আশাবাদী।
ইমরান খান ইমুর দাবি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তিনি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি হামলা-মামলার শিকার ও কারাবরণ করেছেন বলেও জানান তিনি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও দাবি করেন এই নেতা।
তরুণ ও নতুন মুখ হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার পর ইমরান খান ইমু স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনায় এসেছেন। দলীয় সমর্থন বা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তিনি কতটা এগোতে পারেন, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।




