অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিনকন্স ইন থেকে ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রির জন্য কোয়ালিফাই করেছেন চাঁদপুরের কচুয়ার বাসিন্দা ও মোশারফ সলিসিটরসের প্রধান আইনজীবী মো. মোশারফ হোসেন রুবেল। গত ৭ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের সিটি সেন্ট জর্জ ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার ভোকেশনাল স্টাডিজ সফলভাবে সম্পন্নের মাধ্যমে তিনি এ ডিগ্রি অর্জনের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা লাভ করেন। তাঁর এ অর্জনে কচুয়া ও চাঁদপুরের শিক্ষার্থী, আইনজীবী, রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চশিক্ষা ও আইন পেশায় ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে তিনি নিজ এলাকার জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।
আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার অংশ হিসেবে মোশারফ হোসেন রুবেল যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার থেকে একাডেমিক এক্সিলেন্সসহ এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যে বার ভোকেশনাল স্টাডিজ সম্পন্ন করে ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন।
আইন শিক্ষার পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে এমবিএ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি, ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
মো. মোশারফ হোসেন রুবেলের জন্ম চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১১নং গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামে। তাঁর পিতা আব্দুস সালাম ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বড় ভাই মো. মনির হোসেন ফ্রান্সপ্রবাসী এবং অপর ভাই মো. সোহরাব হোসেন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর স্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
তিনি নিজ গ্রামের চাপাতলী লতিফিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী। পরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আইন পেশায় নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি ছাত্ররাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। নিজ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ২০২০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কচুয়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান। দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক ও আইনগত বিষয়ে সহযোগিতা এবং দুঃসময়ে আইন সহায়তা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর এই সাফল্যকে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও শিক্ষার প্রতি নিষ্ঠার ফল হিসেবে দেখছেন। কচুয়ার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবী ও শিক্ষানুরাগী মহলের নেতৃবৃন্দ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আইন ও সমাজসেবায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।




