অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে দগ্ধ দুই শিশুর মধ্যে রাব্বি পাঁচ দিন পর মারা গেছে। অপর শিশু ফাইজা আক্তারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তাদের খালা ইয়াছমিন আক্তার। তিনি বলেন, রাব্বির মা ইমা তাঁর আপন খালাত বোন।
ইয়াছমিন আক্তা জানান, রাব্বির মা ফোন করে জানিয়েছেন, ভোর ৪টার দিকে রাব্বি মারা গেছে। বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।
এর আগে গত ৩ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোডের আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলায় পশ্চিম পাশের একটি ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে আসে ফাইজা আক্তার ও মো. সাব্বির। এতে তারা দগ্ধ হয়। প্রথমে তাদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল হাসান জানিয়েছিলেন, ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ এবং অপর শিশু রাব্বির শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। রাব্বির অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।
নিহত রাব্বি ও ফাইজা খালাত ভাইবোন। ঘটনার দিন তারা মায়ের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিল। তাদের দুজনের বাড়ি পাশের লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানায়।
ঘটনাস্থল আরএস টাওয়ারের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শিশুদের খালা ইয়াছমিন গত আড়াই বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়া থাকেন। তাঁর স্বামী সোহেল দেওয়ান সৌদি প্রবাসী। তাদের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার কালিরবাজার এলাকায়। শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি বলে জানা গেছে।
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।




