31.2 C
Bangladesh
শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#দুর্গোৎসব পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ড. জালাল এমপির#চাঁদপুরে ৩ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ, দুই জেলের কারাদণ্ড#গুজব ও অপতথ্যের সবচেয়ে বড় শিকার প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব#গাজীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম কবিরাজের গণসংযোগ#শাহমাহমুদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে হৃদয় কাজী গ্রেপ্তার#ফরিদগঞ্জে মারধর, চুরির অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবক দলের চারজন নেতাকর্মী গ্রেফতার#ফরিদগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে চার বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪০ লাখ টাকা#লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছির খানের সমাবেশ#শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু#কুমিল্লা সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

স্বপ্নে দেখা সেই মেয়ে

অনলাইন ডেস্ক: শেষ রাতে ফজরের সময় মহল্লার মসজিদ থেকে ভেসে আসা মুয়াজ্জিনের সুমধুর আজানের ধ্বনি ও ভোরের পাখিদের কিচিরমিচিরে আলম শেখের ঘুম ভেঙে যায়। মুখ-হাত ধুয়ে ওজু করে নামাজ আদায় করেন তিনি। ততক্ষণে চারদিকে ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ে।

আলম শেখের বাড়ির সদর দরজার দুই পাশে গোলাপসহ বিভিন্ন ফুলগাছ রয়েছে। সলিং করা পথ পেরিয়ে বাড়িতে ঢুকতে হয়। প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি ফুলগাছে পানি দিচ্ছিলেন। ঢাকা গুলশান রোডের প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে পাঁচ শতক জমির ওপর তাঁর চার কক্ষের একতলা ছাদের বাড়ি। বাড়িটিতে অতিথিকক্ষ ও রান্নাঘর রয়েছে। সামনের পথ দিয়ে ভ্যান, রিকশা, মোটরবাইক ও ছোট গাড়ি চলাচল করতে পারে।

ফজরের নামাজ শেষে আলম শেখের স্ত্রী শেফালী বেগম প্রাতরাশ তৈরির জন্য রান্নাঘরে যান। যাওয়ার পথে মেয়ের ঘরের দরজায় মৃদু ধাক্কা দিয়ে অর্পিতাকে ডাকেন। মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙে আলম শেখের একমাত্র মেয়ে অর্পিতার। সামনে অর্থনীতি বিষয়ে অনার্স চূড়ান্ত পরীক্ষা থাকায় সে রাতে জেগে পড়াশোনা করেছিল।

ঘুম থেকে উঠে হাত-মুখ ধুয়ে পড়ার টেবিলে বসে বই পড়ছিল অর্পিতা। এ সময় ফজরের নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে কোরআন পড়া দাদী সায়মা বেগম তাকে চশমা এনে দিতে বলেন। বয়স আশির ঊর্ধ্বে হওয়ায় সায়মা বেগমের চোখে ছানি পড়েছে এবং চশমা ছাড়া কাছের জিনিস দেখতে তাঁর কষ্ট হয়।

প্রতিদিন চশমা আনতে বলায় অর্পিতা প্রথমে বিরক্তি প্রকাশ করে। সায়মা বেগম জানান, বয়সের কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি দুটিই কমে গেছে। এতে দাদী কষ্ট পেয়েছেন বুঝতে পেরে অর্পিতা তাঁকে জড়িয়ে ধরে নিজের কথার জন্য অনুতপ্ত হয়।

অর্পিতা দাদীকে জানায়, মানুষের আয়ু এবং নানা রোগ-দুর্ঘটনার কারণে সে নিজে কতদিন বাঁচবে, তা নিয়েও তার সন্দেহ আছে। করোনা রোগ নিয়েও সে উদ্বেগ প্রকাশ করে। জবাবে সায়মা বেগম নাতনির দীর্ঘায়ুর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। তখন অর্পিতা হাসিমুখে জানায়, সে সারা জীবন পরিবারের মাঝে চিরতরুণ হয়ে থাকতে চায়।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ