অনলাইন ডেস্ক: মেধা ও চঞ্চলতায় পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখা ১০ বছরের শিশু মেঘলা আক্তার রাইছা সড়ক দুর্ঘটনার পর পঙ্গুত্বের মুখে পড়েছে। ফরিদগঞ্জের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের এই চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী এখন স্কুল বা খেলার মাঠের বদলে বিছানায় দিন কাটাচ্ছে। দরিদ্র পরিবারটি তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারছে না। মেঘলাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবারটি।
মেঘলা ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের মিরণ ও রুনা আক্তার দম্পতির চার মেয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। মিরণ প্রবাসফেরত। মেঘলা স্থানীয় পূর্ব একলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির কাছের গুপ্তেরবিল সড়কে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তার ডান পা ভেঙে যায়। পরে স্বজনরা তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে অর্থোপেডিক সার্জন ডা. আহমেদ হোসাইন ছিদ্দিকী টিটুর তত্ত্বাবধানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে মেঘলা।
মেঘলার মা রুনা আক্তার বলেন, আগে মেয়েটি সারা ঘর মাতিয়ে রাখলেও এখন বিছানায় শুয়ে আছে। কবে সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আবার স্কুলে যেতে পারবে, সেই চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ হোসেন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসাসেবায় বিআরটিএসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সহায়তার সুযোগ রয়েছে। সরকারি অনুদানের পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে এলে মেঘলা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে বলে তিনি আশা করেন।




