29.4 C
Bangladesh
সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম

ফরিদগঞ্জে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে ৩৩ লাখ ১৫ হাজার ৮০৯ টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ ও অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি।

সোমবার বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে অভ্যন্তরীণ অডিটে তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর কবির আহমেদের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, কোচিং সিন্ডিকেট, শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং বিদ্যালয়ের তহবিল তছরুপের অভিযোগ ওঠে। অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম তাঁর সঙ্গে যোগসাজশ করে বিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালনা করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল বেপারীর সন্দেহের পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ২০২১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ক্যাশ বই ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করে ৩৩ লাখ ১৫ হাজার ৮০৯ টাকা আত্মসাতের তথ্য পেয়েছে বলে জানানো হয়।

বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী বিধিমালা ৪.১৭ অনুযায়ী তাঁদের সাত দিনের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে গত ১৮ অক্টোবর চিঠি দেওয়া হয়। তবে চিঠি গ্রহণ বা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় সোমবারের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাঁদের দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সভায় একজন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।

সভাপতি সোহেল বেপারী বলেন, বড় অঙ্কের অনিয়মগুলোর হিসাব করা হয়েছে; ছোট ও ভুয়া হিসাবের অনেকগুলো এতে ধরা হয়নি। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সিদ্ধান্তটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক আতিকুর রহমান, জাহিদ ও সোলায়মান পাটওয়ারী জানান, হিসাব-নিকাশে গরমিলের বিষয়টি সত্য। তাঁদের ভাষ্য, আগে কমিটি থাকলেও কার্যকর তদারকি ছিল না।

তবে নিজেদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কবির আহমেদ ও সাইফুল ইসলাম। প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ বলেন, তিনি কোনো চিঠি গ্রহণ করেননি এবং এক টাকাও আত্মসাৎ করেননি। অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামের দাবি, তাঁরাও কোনো চিঠি নেননি এবং বিদ্যালয়ের অর্থ কমিটিই হিসাব-নিকাশ দেখভাল করেছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ