অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের অনেক দেশেই ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় বিশ্ব বাঁশ দিবস। বাঁশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
জানা যায়, ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ওয়ার্ল্ড বাঁশ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউবিও) আয়োজনে ওই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ডব্লিউবিওর মতে, প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পুনরুদ্ধারে বাঁশ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও এটি কাজে আসতে পারে। বাঁশের এসব সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়ানো দিবসটি পালনের অন্যতম লক্ষ্য।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণ, জ্বালানি, কাগজ, হস্তশিল্প ও খাদ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। মাটি ও পানি সংরক্ষণ, ভূমি পুনরুদ্ধার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতেও বাঁশের ভূমিকা রয়েছে।




