অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর শিল্পী কল্যাণ পরিষদের দেড়যুগ পূর্তি উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত দ্বিতীয় ‘সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতা’ এবং প্রথম ‘সেরা আবৃত্তিশিল্পী প্রতিযোগিতা’-র ফাইনাল রাউন্ড সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার সংগীত ও আবৃত্তি বিভাগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সেরা ২০ জন প্রতিযোগী।
গত ২২ অক্টোবর বিকেল ৪টায় চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাব মিলনায়তনে ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতায় ১৮ জন এবং প্রথম সেরা আবৃত্তিশিল্পী প্রতিযোগিতার ক ও খ বিভাগে ২১ জন অংশ নেন।
সংগীত বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন আনন্দধ্বনি একাডেমির অধ্যক্ষ রফিক আহমেদ মিন্টু ও সংগীত নিকেতনের শিক্ষক বাবুল চক্রবর্তী। আবৃত্তি বিভাগে বিচারক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক মোস্তফা কামাল যাত্রা এবং পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নূপুর বিশ্বাস।
কণ্ঠশিল্পী বিভাগ
দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সানজিদা আলম সাঞ্জু, কাজী কাবীসা, কৃষ্ণকলি দেবনাথ, শ্রদ্ধা গোস্বামী, নিয়ন্তা সরকার, মেঘা ঘোষ ও অর্ণা মজুমদার। হাজীগঞ্জ উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রত্যাশা আচার্য প্রাচী ও অনন্ত দে অপু। মতলব দক্ষিণ উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন পুনম চক্রবর্তী।
আবৃত্তিশিল্পী বিভাগ
প্রথম সেরা আবৃত্তিশিল্পী প্রতিযোগিতার ক বিভাগে নির্বাচিত পাঁচজন হলেন ওয়াশফিয়া আলম আরিশা, ইন্তিহা ইকবাল, ইয়াস ইকবাল, সুপ্রতীম নন্দী অহন ও মো. রাশীদুল ইসলাম। তাঁরা সবাই চাঁদপুর সদর উপজেলার।
খ বিভাগে চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সাহেলা মেহজাবীন ছোঁয়া, আজরিন খান নাবিহা ও জিনিয়া ইসলাম। ফরিদগঞ্জ উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মিফতাহুল জান্নাত ও মাহজেবিন জান্নাত।




