26.2 C
Bangladesh
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#‘সাব্বু আলী’: ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়#চাঁদপুরে জেলা পুলিশের ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ উদ্বোধন#ফরিদগঞ্জে পারিবারিক বিরোধে প্রবাসী ভাইয়ের বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ#বর্জ্যের বিনিময়ে খাদ্য ও গাছের চারা দিচ্ছে ক্লিন চাঁদপুর#মতলব দক্ষিণে কম্বোবাজার ডিলার নিয়োগ ও কার্যক্রমের উদ্বোধন#২৬ ঘণ্টা পর মেঘনা থেকে রবিনের মরদেহ উদ্ধার, ঘাটে স্বজনদের আহাজারি#কুয়েতে মাদকসহ ফরিদগঞ্জের ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার#ফরিদগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ#মতলবে মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের মরদেহ উদ্ধার#আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

চাঁদপুরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ২৫-৩০ শতাংশ অন্য জেলার

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ অন্য জেলা থেকে আসেন বলে জানিয়েছেন ডা. এস এম সহিদ উল্লাহ। দীর্ঘদিন চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের সংগঠন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত এই চিকিৎসকের শৈশব-কৈশোর কেটেছে চাঁদপুর শহরের নতুনবাজারে। প্রকৌশলী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। পেশাগত জীবনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ), চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি, রোটারী ইন্টারন্যাশনালের সহকারী গভর্নর এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক এসোসিয়েশন, চাঁদপুরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরের চিকিৎসাসেবা, বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত ও দরিদ্র রোগীদের জন্য তাঁর উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন আল-আমিন হোসাইন।

ডা. এস এম সহিদ উল্লাহর হিসাবে, শরীয়তপুরের চারটি উপজেলা এবং লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী কয়েকটি উপজেলার রোগীরা চাঁদপুরে চিকিৎসা নিতে আসেন। অন্য জেলার রোগীদের কারণে ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে চাপ তৈরি হয় বলেও জানান তিনি।

সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের অভিযোগ

ডা. এস এম সহিদ উল্লাহ বলেন, চাঁদপুর সদর হাসপাতালে অধিকাংশ চিকিৎসক পরিশ্রম করে কাজ করেন। তবে কিছু দালালচক্র সরকারি হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা হবে না—এমন কথা বলে দরিদ্র রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালেও এ ধরনের সমস্যা রয়েছে।

দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় উদ্যোগ

তিনি জানান, রোটারীর মাধ্যমে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রতি শুক্রবার বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠনের দায়িত্বে থাকাকালে দরিদ্র রোগীদের সহায়তা এবং নিম্নমানের প্রতিষ্ঠান বন্ধে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতাল থেকে কোনো রোগী পরীক্ষা করাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গেলে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিনা মূল্যেও পরীক্ষা করা হয়। তাঁর গ্রীন ডায়াগনস্টিকে প্রতিদিন একাধিক দরিদ্র রোগীর পরীক্ষা বিনা মূল্যে করা হয় বলে জানান তিনি।

চাঁদপুরে ১ হাজার শয্যার হাসপাতালের প্রয়োজন

ডা. এস এম সহিদ উল্লাহর হিসাবে, সরকারি হাসপাতালগুলো প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীকে সেবা দেয়। বাকি প্রায় ৬০ শতাংশ রোগীর চিকিৎসাসেবা দেন বেসরকারি চিকিৎসক, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠান।

তিনি বলেন, চাঁদপুরে মেডিকেল কলেজ হওয়ায় হৃদরোগ, স্ত্রীরোগ, চর্ম, নাক-কান-গলা, নিউরোমেডিসিন, মনোরোগ ও অর্থোপেডিকসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে। আগে এসব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যেতে হলেও এখন চাঁদপুরে অনেক সেবা মিলছে বলে জানান তিনি।

চাঁদপুরে ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল প্রয়োজন বলে মনে করেন ডা. এস এম সহিদ উল্লাহ। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, গাছতলায় হাসপাতালটির জন্য জায়গা নির্ধারণের কথা রয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বা তার বেশি বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণে কিছু জটিলতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। হাসপাতালটি হলে জেলার পাশাপাশি অন্য জেলা থেকে আসা রোগীদের চাপ সামলানো সহজ হবে বলে তাঁর মত।

চিকিৎসার খরচ কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, রোগীর ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা ভালোভাবে করা হলে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এড়ানো সম্ভব।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ