অনলাইন ডেস্ক: জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাস ও লঞ্চের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে মালিকদের একচেটিয়া সুবিধা দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির দাবি, যাত্রীসাধারণের কোনো প্রতিনিধি ছাড়াই সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে। এতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এই বিষয়ে চরম অস্বচ্ছতা ও ‘লুকোচুরি’ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ করেন সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানির দাম বাড়লে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়া স্বাভাবিক। তবে জ্বালানি মূল্যের অজুহাতে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগগুলো মালিকদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। ভাড়া নির্ধারণের সময় যাত্রীসাধারণের মতামত নেওয়া হয় না বলেও দাবি করা হয়েছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির ভাষ্য, পরিচালন ব্যয় বাস্তবে কতটা বেড়েছে এবং কতটুকু ভাড়া বাড়ালে মালিক ও যাত্রী—উভয়ের স্বার্থ রক্ষা হবে, সে বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করা হয় না। বিগত সরকারের আমল থেকে পরিবহন খাতে এই ‘তোষামোদিমূলক’ ধারার কারণে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
ভাড়া পুনর্নির্ধারণে একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির সুপারিশ অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানো যেতে পারে। লঞ্চের ক্ষেত্রে প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।




