অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগে হাসপাতালের পরিবেশে দৃশ্যমান পরিবর্তন এলেও রোগী হয়রানি এবং কথিত দালালদের তৎপরতা নিয়ে অভিযোগ কাটেনি। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুন্নবী মাসুম দায়িত্ব নেওয়ার পর হাসপাতালের পরিবেশ ও রোগীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জরাজীর্ণ টয়লেট সংস্কার, ময়লা-আবর্জনায় ভরা ড্রেন পরিষ্কার এবং দীর্ঘদিনের অপরিচ্ছন্ন স্থানগুলো পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। জরুরি বিভাগে রোগীদের অবস্থানের সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে।
হাসপাতালের ছাদের ক্ষতিগ্রস্ত টিন সংস্কার করে বৃষ্টির পানি পড়ার সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। রোগীদের সেবা গ্রহণ সহজ করতে বিনামূল্যে টিকা কার্ড দেওয়াসহ বিভিন্ন জনবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের কয়েকজনের মতে, এসব কার্যক্রমে হাসপাতালের পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে।
রোগীর স্বজন বাবুল বলেন, আগের তুলনায় হাসপাতালের পরিবেশ এখন ভালো এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। এতে রোগীদের জন্য পরিবেশ কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
তবে হাসপাতালের উন্নত পরিবেশের পাশাপাশি কথিত দালালদের তৎপরতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা নিতে এসে কেউ কেউ পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে হাসপাতালের বাইরের ব্যক্তিদের প্রভাবের মুখোমুখি হন। এতে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা বিভ্রান্ত ও ভোগান্তির শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, রোগীদের অভিযোগ যাচাই করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের তৎপরতা থাকলে তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে রোগীরা যেন সরাসরি হাসপাতাল থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা পান, সেটিও নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
দালালদের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুন্নবী মাসুম বলেন, খুব দ্রুত উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবেন।




