অনলাইন ডেস্ক: ভারতের উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় পর্যটকবাহী একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটিতে ৩৪ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। আগুন লাগার সময় অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে থাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাসটি নয়ডা থেকে উত্তরপ্রদেশের মাহোবার উদ্দেশে যাচ্ছিল। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলার সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। তবে আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এক্সপ্রেসওয়ের পাশে বাসটিকে জ্বলতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও জেওয়ার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ শুরু করে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং নিহতদের স্বজনদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এক যাত্রী জানান, ঘটনার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। দরজায় শব্দ শুনে ঘুম ভাঙার পর চারপাশে মানুষের ভিড় দেখতে পান। কোনো জিনিসপত্র নেওয়ার সুযোগ না থাকায় শুধু ফোনটি নিয়ে বাস থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। ঘন ধোঁয়া ও যাত্রীদের ধাক্কাধাক্কির কারণে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।
ওই যাত্রীর ভাষ্য, ধোঁয়ার কারণে বাসের ভেতরে কিছু দেখা যাচ্ছিল না এবং অনেকে শ্বাস নিতে পারছিলেন না। তার ধারণা, বাসের পেছনের দিকে থাকা কয়েকজন যাত্রী সময়মতো বের হতে পারেননি।
বাসে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং হতাহতের সংখ্যা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।




