অনলাইন ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ শিকারের দায়ে আটক ২৪ জেলের মধ্যে ২২ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জেলেদের হেফাজতে থাকা ২৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল, ছয়টি মাছ ধরার নৌকা ও পাঁচ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অভিযানে অংশ নেওয়া সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সদর উপজেলার মেঘনা নদীর আনন্দ বাজার, লালপুর, কাচিকাটা, চিরাচর, হরিসভা, রনাগোয়াল, দোকানঘর ও বহরিয়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। চিরাচর এলাকা থেকে ১৮ জন এবং দোকানঘর এলাকা থেকে ছয় জেলেকে আটক করা হয়।
রাত ১২টায় কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ ইকবাল, মো. রহমত উল্লাহ ও তানভীর রাব্বী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত ২২ জেলেকে ১২ দিন করে কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন। আটক অপর দুই জেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের বাড়ি চাঁদপুর ও পাশের শরীয়তপুর জেলায়। তারা হলেন রিফাত, রাসেল খান, দেলোয়ার হোসেন, সুজন গাজী, ইদ্রিস আলী, নজরুল বেপারী, মনির মিজি, শহীদ গাজী, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, জাহাঙ্গীর বেপারী, সেলিম ফকির, মো. নজরুল, কামাল বেপারী, লিটন বেগ, মাইনুদ্দিন, নয়ন শরীফ, নিজাম প্রধানিয়া, মো. রাসেল, মনির বেপারী, মোহাম্মদ হোসেন, রাসেল গাজী ও মো. ইকবাল।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দ কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। জব্দ ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয় এবং ছয়টি নৌকা কোস্টগার্ডের হেফাজতে রয়েছে।




