স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করায় চাঁদপুরের শিক্ষকদের মর্যাদা বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে দায়িত্বও। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আরও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পাঠদান করতে হবে। চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুদি আজিমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও গুণী শিক্ষক হোসনে আরা”র সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএসএম জামিউল হিকমা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বিদ্যালয়ের হলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম জগলু। সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক নার্গিস আক্তার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি, পিটিএ কমিটি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গুণী শিক্ষক হোসনে আরা”কে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে, এএসএম জামিউল হিকমা বলেন, জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে হোসনে আরা”র স্বীকৃতি চাঁদপুরের জন্য গর্বের বিষয়। এই অর্জন জেলার সব শিক্ষকের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে শিক্ষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চের সংকটের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে ইউএনও সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দাখিলের কথা বলেন। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দরপত্রের মাধ্যমে বেঞ্চ তৈরি করে দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগম, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ তৈয়ব হোসেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর রাশেদা আতিক রোজী, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আরা, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, পিটিএ সভাপতি মির্জা জাকির এবং সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান পাটোয়ারী।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও পিটিএ কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সমন্বিত উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে।




