27 C
Bangladesh
সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হাইমচরে ইলিশ মজুত ও বিক্রির দায়ে হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা#গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ#প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহমাহমুদপুরে যুবদলের মতবিনিময় সভা#প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে পাঠাগার হবে: জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান#সভাপতি-সম্পাদক প্রার্থী হতে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে পদত্যাগ জমা দেওয়ার আহ্বান#গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নে নির্বাচনী মাঠে আছেন যাঁরা#ফরিদগঞ্জে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত#কচুয়ায় মৎস্য প্রজেক্টে বিদ্যুতায়িত হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু, ভাই আহত#মসজিদের বিদায়ী খতিবের প্রতি এমন সম্মান প্রশংসাব্যঞ্জক#রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক শফিকুর রহমানের দাফন

ফরিদগঞ্জে তিন যুবদল নেতা হত্যার একযুগ পরও বিচার পাননি স্বজনরা

অনলাইন ডেস্ক: ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের গুলিতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের তিন যুবদল নেতা নিহত হন। দীর্ঘ একযুগ পেরিয়ে গেলেও স্বজনরা কোনো বিচার পাননি বলে অভিযোগ। বরং বিগত সরকারের সময়ে হয়রানিমূলক মামলায় শোকাহত পরিবার ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনার দিন বিকেলে ১৮ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে গেলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে ঘটনাসংশ্লিষ্ট বিবরণে বলা হয়েছে।

তৎকালীন ফরিদগঞ্জ থানার ওসি নাজমুল হকের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মিছিলে ২৪২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি, ২৯ রাউন্ড চায়না পিস্তলের গুলি এবং ১১ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর বেপারী, আরিফ হোসেন ও বাবুল ভূঁইয়া।

নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার চেষ্টা করা হলেও তৎকালীন সরকারের আক্রোশ ও পাল্টা মামলার কারণে তা এগোয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উল্টো নিহত ও আহত নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে তাদের ঘরছাড়া ও সর্বস্বান্ত করা হয় বলে দাবি পরিবারের।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিহত আরিফ হোসেনের ভাই দেলোয়ার হোসেন ৮ ডিসেম্বর আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। তবে মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেনও চলতি বছরের ২১ অক্টোবর আকস্মিকভাবে মারা যান।

দীর্ঘ সময়েও বিচার বা আইনি প্রতিকার না পাওয়ায় শহীদ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে কার্যকর সাংগঠনিক ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয় বলেও তারা অভিযোগ করেছেন।

নিহত তিন যুবদল নেতা

জাহাঙ্গীর বেপারী উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব গাজীপুর তিনকড়ি বেপারী বাড়ির আব্দুল মতিন বেপারীর ছোট ছেলে। আরিফ হোসেন রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। বাবুল ভূঁইয়া একই ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ