অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারসহ ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেড় দশকের শাসনের পর ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে সরকার ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকন্সট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশল গ্রহণ করেছে বলে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ফিলিস্তিন ইস্যু ও বৈশ্বিক সংকট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ জনগণের সব ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশ তার অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।
বিশ্বের চলমান সংঘাতের কারণে বিভিন্ন দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে এবং বিপুল মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিও চাপের মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
বাংলাদেশ পুনর্গঠনে থ্রি-আর কৌশল
দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেড় দশকের বেশি সময়ের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের পর বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারের নেওয়া ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকন্সট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করার সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।




