অনলাইন ডেস্ক: প্রায় এক বছর পর প্রধান উপদেষ্টা আরিন তাসনীমকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে। সারাদেশে নির্বাচিত হয়েছেন তিন শ এমপি। মানুষ নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে তাঁদের সংসদে পাঠিয়েছে, যাতে তারা শব্দহীনতা থেকে রক্ষা পেতে এবং দেশের উন্নয়ন ঘটাতে পারে।
এই পটভূমিতে রুহানের জীবনে আসে রুবাবা। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে রুবাবা তাকে জানান, তাঁর পিতা রুহানকে মন্ত্রী পরিষদের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যোগ দেওয়ার জন্য নিতে এসেছেন। বিদেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে রুহানের অর্জিত সুনামের কথা উল্লেখ করে তাকে দেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বলে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে রুহানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরিন তাসনীমের পরিচয় হয়। প্রধানমন্ত্রী জানান, তরুণদের যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চান তিনি। দেশের মেধাবীদের বিদেশে গিয়ে অপচয় হওয়া ঠেকানো এবং যোগ্যদের যথাস্থানে বসিয়ে মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য।
কাজ করতে গিয়ে রুহান জানতে পারে, রুবাবা একটি গোপন গবেষণা প্রকল্পের অংশ। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে তাকে তৈরি করা হয়েছে। রুবাবা নিজেকে এমন এক চেতনার প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরে, যা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চায়।
একপর্যায়ে একটি সাইবার হামলা দেশের তথ্যব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি তৈরি করে। প্রধানমন্ত্রী ও বিজ্ঞানী আরিন তাসনীম নিজ হাতে কোড লিখে হামলা প্রতিহত করেন। এতে তাঁর মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হয়। তাঁর আদর্শ ধারণ করে রুহান, রুবাবা ও নতুন প্রজন্ম দেশ গড়ার পরিকল্পনা নেয়। পরে মানুষের সমর্থনে রুহান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
রুবাবা রুহানের পাশে থেকে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখে। তবে আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে ফেরার পর রুবাবা জানায়, তার প্রোগ্রাম ও কাজ শেষ। এরপর প্রচণ্ড আলোয় সে বিলীন হয়ে যায়। পরে রুহানের ঘুম ভাঙার পর আবার রুবাবার দেখা মেলে। সে জানায়, তার প্রোগ্রাম পুনরায় পূর্ণ হয়েছে এবং রুহানের জন্যই সে ফিরে এসেছে।
এদিকে নতুন বাংলাদেশে মানুষ কথা বলা, গান গাওয়া ও কবিতা আবৃত্তির স্বাধীনতার কথা জানায়। একই সময়ে জামশেদকে সহপাঠীদের হত্যার অভিযোগে শনাক্ত করা হয়। ইরফান দাবি করে, শাসকগোষ্ঠীর ইশারায় জামশেদ সহপাঠীদের হত্যা করে বিপ্লবের পথ থেকে সরাতে ভয় দেখাত।
জামশেদ পালানোর চেষ্টা করলে ইরফান ও তুষার তাকে ধরে জনতার সামনে নিয়ে আসে। আরাধ তার মুখ বেঁধে দেয়। এরপর জনতা তাকে মারধর করে। দেড় মিনিটের মধ্যে জামশেদ নিস্তেজ হয়ে যায়।




