27.6 C
Bangladesh
রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫ আহমাদিয়া মাদ্রাসায়#শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য#হাইমচরে জিপিএ-৫ পেলেন ৩ শিক্ষার্থী, পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ#হাজীগঞ্জে এইচএসসি ভোকেশনালে পাসের হার ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন#কচুয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া মাইসার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা#জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক#বাবুরহাট দক্ষিণ দাসদীতে রাস্তা বন্ধ, ভোগান্তিতে অর্ধশতাধিক পরিবার#ভারত থেকে আনা চালে আফলাটক্সিন শনাক্ত, ৯ হাজার ৫০০ টন বিতরণ স্থগিত#এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ#এক-দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ

কচুয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলার মামলায় ৪ মাতাব্বর গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: কচুয়া উপজেলার বরুচর গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী আবু মুসার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও তাঁর ভাইকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রবাসীর ভাই ও মারধরের শিকার কবি আল-আমীন হোসেনের ৩ সেপ্টেম্বরের মামলায় রোববার চাঁদপুরের আদালতে জামিন চাইতে গেলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন বরুচর গ্রামের মোড়ল হারুনুর রশিদ, আবুল খায়ের, কেফায়েতউল্লাহ ও সফিকুল ইসলাম। তাঁরা বর্তমানে চাঁদপুর কারাগারে রয়েছেন।

জানা গেছে, প্রায় ২৩ বছর আগে বরুচর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের মেয়ে মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আবু মুসার বিয়ে হয়। তাঁদের তিন সন্তান রয়েছে—মনিরা আক্তার, মাকছুদা ও মাহমুদুল হাসান। স্ত্রী-সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আবু মুসা জীবিকার জন্য কুয়েতে যান। সেখানে কাজ করে উপার্জিত অর্থে তিনি বাড়িতে একটি ভবন নির্মাণ করেন বলে জানান।

আবু মুসার ভাষ্য, প্রায় দুই বছর আগে তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর বৃদ্ধ ও অসুস্থ মা আমেনা বেগম ওই বাড়ির এক পাশে থাকতেন। তাঁর অভিযোগ, মাহমুদা আক্তার তাঁর মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার, গালমন্দ ও মারধর করে কয়েকজন মাতাব্বরের সহযোগিতায় তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বর্তমানে তাঁর মা নবাবপুর এলাকায় ছোট ভাইয়ের বাড়িতে আছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আবু মুসা জানান, এ ঘটনায় তিনি মাহমুদা আক্তারকে তালাক দেন। তাঁর অভিযোগ, এরপর গ্রামের কয়েকজন মোড়ল প্রভাব খাটিয়ে মাহমুদার পরিবারের পক্ষ নিয়ে তাঁর ছোট ভাই আল-আমীনকে মারধর করে হাত ভেঙে দেন। আল-আমীনের স্ত্রী-সন্তানদেরও মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

আবু মুসার আরও অভিযোগ, তালাকের পরও মাহমুদা আক্তার লোকজনের মাধ্যমে জোরপূর্বক তাঁর বাড়ি দখল করে থাকতে চান। কয়েকজন মোড়লের পরামর্শে তাঁর বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করে মানহানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে সন্তানদের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আবু মুসা।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ