25.8 C
Bangladesh
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#‘সাব্বু আলী’: ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়#চাঁদপুরে জেলা পুলিশের ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ উদ্বোধন#ফরিদগঞ্জে পারিবারিক বিরোধে প্রবাসী ভাইয়ের বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ#বর্জ্যের বিনিময়ে খাদ্য ও গাছের চারা দিচ্ছে ক্লিন চাঁদপুর#মতলব দক্ষিণে কম্বোবাজার ডিলার নিয়োগ ও কার্যক্রমের উদ্বোধন#২৬ ঘণ্টা পর মেঘনা থেকে রবিনের মরদেহ উদ্ধার, ঘাটে স্বজনদের আহাজারি#কুয়েতে মাদকসহ ফরিদগঞ্জের ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার#ফরিদগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ#মতলবে মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের মরদেহ উদ্ধার#আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

অনলাইন ডেস্ক: গ্যাস সংকটের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগে সুফল মিলতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আজ শনিবার জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে। আজ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কূপটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। উদ্বোধনের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর কূপটি খননে কয়েক মাস সময় লেগেছে।

আরও তিন কূপের কাজ এগোচ্ছে

তিতাসের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকেও গ্যাস পাওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। তিতাস-৩১-এর খননকাজ শুরু হয় গত ১৯ এপ্রিল। এরই মধ্যে কূপটির গভীরতা প্রায় চার হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ হাজার ৬০০ মিটার। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হতে পারে। সফল হলে কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস-২৯-এর মূল খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এখান থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-৩০-এর কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে কূপটির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কূপ থেকেও দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সরবরাহের সম্ভাব্য পরিমাণ

তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। সফলভাবে খনন ও পরীক্ষা শেষ হলে কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।

বিজিএফসিএলের হিসাবে, তিতাসের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ মিলিয়ন এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলতে পারে। তিতাস-২৮-এর ১২ মিলিয়ন ঘনফুটসহ পাঁচটি কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ