26.2 C
Bangladesh
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#‘সাব্বু আলী’: ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়#চাঁদপুরে জেলা পুলিশের ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ উদ্বোধন#ফরিদগঞ্জে পারিবারিক বিরোধে প্রবাসী ভাইয়ের বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ#বর্জ্যের বিনিময়ে খাদ্য ও গাছের চারা দিচ্ছে ক্লিন চাঁদপুর#মতলব দক্ষিণে কম্বোবাজার ডিলার নিয়োগ ও কার্যক্রমের উদ্বোধন#২৬ ঘণ্টা পর মেঘনা থেকে রবিনের মরদেহ উদ্ধার, ঘাটে স্বজনদের আহাজারি#কুয়েতে মাদকসহ ফরিদগঞ্জের ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার#ফরিদগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ#মতলবে মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের মরদেহ উদ্ধার#আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

বড়বেলার স্কুলজীবন

অনলাইন ডেস্ক: মাস্টার্স শেষ করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন হীরামনি। কোরিয়ায় যাওয়ার আগে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় গেলে তাঁর ব্যাচমেট তিথি হোয়াটসঅ্যাপে কোইকার স্কলারশিপের একটি লিংক পাঠিয়ে আবেদন করতে বলেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি লিংকটি পাঠানো হয়, আর আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

তিথির পরামর্শে প্রশিক্ষণের বিরতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে হীরামনি জানতে পারেন, আবেদনের জন্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর করা অনুমতিপত্র প্রয়োজন। তখন তাঁর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মনজুরুল হাফিজ। বিষয়টি জানালে জেলা প্রশাসক তাঁর পড়ার বিষয়, কোর্সের মেয়াদ এবং পরিবারের সঙ্গে থাকার সুযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান। পরে তিনি আবেদন করে সহকারী কমিশনার (গোপনীয়)-এর কাছে পাঠাতে বলেন এবং স্বাক্ষর করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

হীরামনি আবেদনপত্র ই-মেইলে পাঠান এবং সহকারী কমিশনার (গোপনীয়)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর করা আবেদনপত্র ই-মেইলে তাঁকে পাঠানো হয়।

সে সময় তিনি ঢাকার সেগুনবাগিচায় আইপিএফ আয়োজিত বাজেট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট (বিএমএস) কোর্সের প্রশিক্ষণে ছিলেন। পরীক্ষা ও পড়াশোনার চাপের মধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দেন।

হীরামনির বর্ণনায়, কোরিয়ার জিয়নজু গ্রামে যাওয়ার পথে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঘানা, ক্যামেরুন ও লাইবেরিয়ার তিন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী। ক্যামেরুনের একজন একই বৃত্তিতে পড়তে এসেছেন এবং তাঁর উপজাতির রাজা হওয়ার ক্রমে আছেন বলে উল্লেখ করেছেন হীরামনি।

সাউথ দেইজং যাওয়ার পথে তাঁরা একটি স্টেডিয়াম, বিভিন্ন গাড়ির শোরুম, হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনা দেখেন। যাত্রাপথে হীরামনি লুইস এইচ. হে-এর ‘ইউ ক্যান হিল ইয়োর লাইফ’ অডিওবুক শোনেন। কোরিয়ার পরিচ্ছন্ন ও গুছানো রাস্তাঘাট এবং নির্বিঘ্ন যাত্রার কথাও তিনি বর্ণনা করেছেন।

দুপুরে তাঁরা একটি সয়াবিন স্যুপ রেস্টুরেন্টে যান। রোবটের মাধ্যমে সাইড ডিশ ও স্যুপ পরিবেশন করা হয়। খাবারের পর ওপরের তলায় থাকা সয়াবিন মিউজিয়াম ঘুরে দেখেন তাঁরা। সেখানে সয়াবিন স্যুপের রেস্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠার কাহিনী, সয়াবিনের জীবনপ্রণালী এবং স্যুপ তৈরির ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

হীরামনি বর্তমানে বান্দরবান সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ