27.2 C
Bangladesh
সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#হাজীগঞ্জে বিএমে সেরা সরকারি মডেল পাইলট, আলিমে জিপিএ-৫ আহমাদিয়া মাদ্রাসায়#শাহরাস্তিতে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য#হাইমচরে জিপিএ-৫ পেলেন ৩ শিক্ষার্থী, পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ#হাজীগঞ্জে এইচএসসি ভোকেশনালে পাসের হার ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন#কচুয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া মাইসার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা#জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়: শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক#বাবুরহাট দক্ষিণ দাসদীতে রাস্তা বন্ধ, ভোগান্তিতে অর্ধশতাধিক পরিবার#ভারত থেকে আনা চালে আফলাটক্সিন শনাক্ত, ৯ হাজার ৫০০ টন বিতরণ স্থগিত#এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ#এক-দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ

স্ত্রীর মৃত্যুশোক না কাটতেই ফরিদগঞ্জে বিদ্যালয়ের পুকুরে ডুবে শিক্ষকপুত্রের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সহধর্মিনী আয়েশা বেগমের মৃত্যুর মাত্র তিন মাস পর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিদ্যালয়ের পুকুরে ডুবে মারা গেছে তাঁর তিন বছরের ছেলে আব্দুর রহমান। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মাতৃহীন শিশুটিকে বাড়িতে একা রেখে স্কুলে আসার উপায় না থাকায় সহকারী শিক্ষক বাবা আব্দুল কাদের প্রতিদিনের মতো ছেলেকে সঙ্গে করে বিদ্যালয়ে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছিলেন, আর আব্দুর রহমান বিদ্যালয়ের বারান্দায় খেলছিল। একপর্যায়ে সবার অজান্তে শিশুটি বিদ্যালয় ভবন থেকে বের হয়ে সামনের পুকুরে পড়ে যায়।

কিছুক্ষণ ছেলের সাড়াশব্দ না পেয়ে আব্দুল কাদের খোঁজে বের হয়ে পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আব্দুর রহমান উপজেলার সকদিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল কাদেরের কনিষ্ঠ সন্তান। তাঁর প্রয়াত মা আয়েশা বেগমও গোবারচিত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন ভাইয়ের মধ্যে আব্দুর রহমান ছিল সবার ছোট। মায়ের মৃত্যুর পর তাকে দেখাশোনার কেউ না থাকায় বাবার কর্মস্থল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণই তার নিয়মিত খেলার জায়গা হয়ে উঠেছিল। মঙ্গলবারও বাবার সঙ্গে হাসিমুখে স্কুলে এসেছিল শিশুটি।

স্ত্রীকে হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই সন্তানকে হারিয়ে আব্দুল কাদের শোকাহত হয়ে পড়েছেন। তাঁর কান্নায় সকদিরামপুর গ্রাম ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ