অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘদিনের সহকর্মী মো. মোস্তফা কামাল খান (সুজন)–এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শূন্যতার মধ্যে তাঁর পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সুজনের তিন নাবালক সন্তানের মধ্যে চার বছর বয়সী মেয়ে সাফা আর বাবার স্নেহ পাবে না; অন্যদিকে বড় মেয়ে মীরা সহপাঠীর সঙ্গে খেলতে গিয়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে চিকিৎসাধীন বলে জানানো হয়েছে।
মো. মোস্তফা কামাল খান (সুজন) ‘দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ’-এর শহর প্রতিনিধি ও কম্পিউটার বিভাগের অপারেটর ছিলেন। পাশাপাশি তিনি চাঁদপুর শহরের মিশন রোডে অবস্থিত ‘জনকল্যাণ ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড ডেন্টাল কেয়ার’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
লেখায় বলা হয়েছে, প্রায় এক মাস আগে সহপাঠীর সঙ্গে খেলতে গিয়ে মীরা গুরুতর আহত হয়। এতে তার এক পায়ের ঊরুর হাড় প্রায় গুঁড়ো হয়ে যায় এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ঘটনার দিন সুজন ‘দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ’-এর বার্তা সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহর সহযোগিতায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তিনি ও তাঁর স্ত্রী চিকিৎসার জন্য দৌড়ঝাঁপ করেন।
মীরার আঘাতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত একটি বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। থানায় বসার সময় সুজন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
সহকর্মীদের বর্ণনা অনুযায়ী, মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় জোগাড় করা নিয়ে সুজন উদ্বিগ্ন ছিলেন। হায়দার আলী ও আনোয়ার জাহিদসহ কয়েকজন তাঁর পরিবারকে সহযোগিতা করেছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে মীরাকে পুরোপুরি সুস্থ করতে ভবিষ্যতে আরও অর্থের প্রয়োজন হতে পারে বলে লেখায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
সুজনের অসম্পূর্ণ দায়িত্ব সমাজ ও দেশের মানুষকে পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, চাঁদপুর প্রেসক্লাব, রাজনৈতিক দল এবং বিত্তবান ব্যক্তিদের পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।




