অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৫০ বছরের চলাচলের রাস্তা ইটের দেয়াল ও বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আশপাশের অর্ধশতাধিক পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ হওয়ায় প্রায় ২০টি বাড়ির কয়েক শতাধিক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। তাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ রোগীরা।
বাবুরহাট দক্ষিণ দাসদী এলাকার আবুল কালাম সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে ভুক্তভোগী শতাধিক নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ
স্থানীয় নাজমা বেগম, বিলকিস বেগম ও জাহানারা বেগমসহ কয়েকজন নারী জানান, প্রায় ৫০ বছর ধরে ৫০টি পরিবার ওই রাস্তা ব্যবহার করে আসছে। রাস্তা উঁচু করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের অর্থ ও শ্রমে মাটি ফেলেছেন বলেও তারা জানান। তাদের অভিযোগ, কিছুদিন আগে প্রতিবেশী মানিক বেপারীর পরিবার ইটের দেয়াল ও বাঁশের বেড়া দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এতে সন্তানদের স্কুল-কলেজে যাওয়া এবং জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য বাইরে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী শাহাদাত পাটওয়ারী, কাজী বাচ্চু মিয়া ও মোহাম্মদ শাহ আলমসহ কয়েকজন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পরে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তারা জানান। রাস্তার জায়গা কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পরও পেশিশক্তি ব্যবহার করে রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করে তারা প্রশাসনের কাছে প্রতিকার দাবি করেন।
অভিযুক্তের বক্তব্য
অভিযুক্ত মানিক বেপারী জানান, জায়গাটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি এবং রাস্তার পাশে তাদের পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। তার দাবি, অন্যরা জোর করে সেখানে চলাচলের রাস্তা করতে চাইছে।




