অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জমি নিয়ে দেওয়ানি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আ. কুদ্দুস মাস্টারসহ চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর বাদী সুজায়েত আলীর ছেলে নাহিদ হাসান হাজীগঞ্জ থানায় চারজনকে বিবাদী করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের পশ্চিম পাটওয়ারী বাড়ির। এ ঘটনায় দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে।
বাদী পক্ষের অভিযোগ, মৃত নূর মোহাম্মদ ক্বারীর ছেলে হাফেজ ত্বোহা, তৈয়ব আলী, লুৎফুর রহমান ও আ. কুদ্দুস মাস্টারের সঙ্গে মৃত আ. সামাদ পাটওয়ারীর ছেলে বজলুর রহমান গংদের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। এ বিরোধের জেরে জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতে রেকর্ড সংশোধনীসংক্রান্ত দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।
মামলার অন্তর্ভুক্ত বিএস খতিয়ানের ৪১৯ দাগের ১৩ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের কারণে গত ২৩ মে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। পরে সরেজমিন তদন্তের জন্য আদালত আইনজীবী কমিশনার নিয়োগ করেন।
গত ৯ সেপ্টেম্বর বাদীপক্ষ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী করার আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে কোনো পক্ষের প্রবেশ এবং সেখানে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী বজলুর রহমানের ছেলে ইকবাল হোসেনের দাবি, জমির চূড়ান্ত মালিকানা আদালত নির্ধারণ করবেন। আদালতের রায়ের আগে কোনো পক্ষ জোরপূর্বক জমি দখল করে ভবন নির্মাণ করলে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার ও হাজীগঞ্জ থানা প্রশাসনের কাছে আদালতের আদেশ কার্যকর করে নির্মাণকাজ বন্ধ এবং আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অন্যদিকে নূর মোহাম্মদ ক্বারীর ছেলে হাফেজ ত্বোহা, তৈয়ব আলী, লুৎফুর রহমান ও আ. কুদ্দুস মাস্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বজলুর রহমান গংরা তাদের হয়রানি করতেই মামলা করছেন।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া বলেন, অভিযোগটি তিনি দায়িত্ব গ্রহণের আগে দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




