31 C
Bangladesh
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#খায়রুল হাসান বেনুর সুস্থতা কামনায় মতলব উত্তরে মিলাদ ও দোয়া#জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি#চাঁদপুরের ফুটবলের সুদিন ফেরাতে ক্রীড়াঙ্গনের নেতৃত্বে কাজ করতে চান কাজী মাইনুল হক জীবন#প্রভাবশালী হলেও ছাড় নয়, সরকারি জমি দখলমুক্তের হুঁশিয়ারি এমপি মানিকের#বাংলাদেশ-জাপান অংশীদারত্ব জোরদারের প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর#দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে চাঁদপুরের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আশার আলো#মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ#চাঁদপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ গ্রামে সাংবাদিক শফিকুর রহমানের দাফন সম্পন্ন#হাইমচরে ইলিশ মজুত ও বিক্রির দায়ে হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা#গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

বাংলাদেশ-জাপান অংশীদারত্ব জোরদারের প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্র বন্দর এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ খাতে অংশীদারত্ব আরও জোরদারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। একই সঙ্গে কিছু সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কথা জানান।

জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হয়। এর আগে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে সেখানে পৌঁছালে সানায়ে তাকাইচি তারেক রহমানকে স্বাগত জানান। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।

অংশীদারত্ব জোরদারের অঙ্গীকার

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে জাপান একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর দুই দেশের বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর অন্যতম বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শক্তি, আইসিটি, বাণিজ্য, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্র বন্দর ও বৈদেশিক বিনিয়োগ খাতে অংশীদারত্ব জোরদারে দুই দেশ দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। সফরকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে এমওইউ সই হয়েছে এবং যৌথ বিবৃতিতে আলোচনার ফলাফল ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান।

জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের সুযোগগুলো অনুসন্ধানের আহ্বান জানিয়ে তিনি উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসায়িক সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ স্তরে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সানায়ে তাকাইচি বলেন, গত ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাপান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ