25.8 C
Bangladesh
রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
spot_imgspot_img

সংবাদ শিরোনাম
#কলকাতার পূজামণ্ডপে পদদলনে নিহত অন্তত ১৮, আহত ৩৫#জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা আলগী উত্তরের আবু বকর মানিক#হাজীগঞ্জে মন্দিরের আখড়ায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুন#কচুয়ায় ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ#বহরী আলিঙ্গন স্পোর্টিং ক্লাবের মেঘা ফাইনাল মিনি ফুটবল সম্পন্ন#মতলবে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক#ফেনীতে সড়কে তার পেঁচিয়ে চাঁদপুর সওজ কর্মচারী রনি নিহত#হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির নতুন কমিটি গঠন#চাঁদপুরে ইলিশ ধরার অপরাধে ৩০ জেলেকে কারাদণ্ড#হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

৪০–৫০ বছর পর ওয়ারিশি সম্পত্তির দাবি, মামলা চলাকালেই ভবন নির্মাণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের গন্ধর্ব্যপুর গ্রামে প্রায় ৪০–৫০ বছর পর ওয়ারিশি সম্পত্তির মালিকানা ও ভোগদখল নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ভূমি সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মতলব আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ওই সম্পত্তিতে ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী কাজী লাখী।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ভূমি সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মতলব আদালতে মামলাটি ১০২২/১৮ নম্বরে নথিভুক্ত। বাদী কাজী লাখী এবং বিবাদী অলিউল্লাহ গং। বাদীর ভাষ্য, মামলাটি বর্তমানে তার শুনানি পর্যায়ে রয়েছে।

কাজী লাখীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গন্ধর্ব্যপুর গ্রামের মৃত তছর উদ্দিনের দুই ছেলে লুতা মিয়া ও বাদশা। বাদশা মিয়া বিয়ের ছয় মাস পর মারা যান। লুতা মিয়ার পরিবার প্রায় ৪০–৫০ বছর আগে সিলেটে চলে যায়। যাওয়ার সময় বাড়িঘর দেখাশোনার জন্য স্থানীয় একজনকে রেখে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

পরবর্তীতে ওই পাহারাদারকে মাঠে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে দাবি করেন কাজী লাখী। বিষয়টি জানার পর লুতা মিয়া ওই এলাকা ছেড়ে চলে যান বলেও জানান তিনি।

কাজী লাখী জানান, ২০১৫ সালে তার মা ফুলবানু সম্পত্তির বিষয়ে খোঁজ নেন। তাদের দাবি, সিএস রেকর্ড অনুযায়ী লুতা মিয়া বাড়ির প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পত্তির মালিক ছিলেন। কনা ঝিকঝাক ইটভাটার পাশের জমিসহ মাঠে আরও প্রায় দুই একর সম্পত্তি লুতা মিয়ার ওয়ারিশদের বলে দাবি করেন তিনি।

তার অভিযোগ, বর্তমানে গন্ধর্ব্যপুর গ্রামের মিজি বাড়ির অলিউল্লাহ ওই সম্পত্তি ভোগদখল করছেন। আদালতে মামলা চলার মধ্যেই বুধবার সেখানে গিয়ে তিনি ভবন নির্মাণের কাজ দেখতে পান বলে জানান।

এ বিষয়ে অলিউল্লাহ বলেন, তারা জায়গা পাবেন, তবে তার দখলে থাকা জায়গাটি ওই দাগ নম্বরে নয়; অন্য জায়গায় পাবেন। নিজের দখলে থাকা জায়গার দাগ নম্বর জানতে চাইলে তিনি তা জানেন না বলে জানান।

মামলার বিবাদীদের মধ্যে নুর রহমানও রয়েছেন। তার পিতার নাম মৃত ওবায়দুল্লাহ পন্ডিত। কাজী লাখীর দেওয়া তথ্যে, ওবায়দুল্লাহ পন্ডিত সে সময় দলিল লেখকের কাজ করতেন।

সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা ও ভোগদখলের বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। মামলাটি বাদীর শুনানি পর্যায়ে থাকায় আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের দাবিকে চূড়ান্ত মালিকানা হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

2,181FansLike
3,912FollowersFollow
22,900SubscribersSubscribe

-advertisement-

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ